Articles by "তথ্যপ্রযুক্তি"


দুই বছরের বেশি সময় পরীক্ষার পর সবার জন্য উন্মুক্ত হলো মেটার ভিআর দুনিয়া ‘হরাইজন ওয়ার্ল্ডস’। এই অ্যাপটির ডিজিটাল জগতকে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে ‘সোশাল ভার্চুয়াল রিয়ালিটি স্পেস’ হিসেবে। শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিরা আমন্ত্রণ ছাড়াই বিনামূল্যে কোয়েস্ট অ্যাপ অ্যাক্সেস করতে পারবেন।

অ্যাপটিতে মূল গেইমের পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা নিজের ইচ্ছেমতো মিনি-গেইম নির্মাণ করতে পারবেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। কাজের ধরনের হিসাবে রোব্লক্স এবং কন্টেন্ট নির্মাতার উপর নির্ভরশীল অন্যান্য অ্যাপের সঙ্গে মিল রয়েছে হরাইজন ওয়ার্ল্ডসের।

তবে নির্মাতাদের সরাসরি আর্থিক সুবিধা নেওয়ার কোনো সুযোগ আপাতত নেই অ্যাপটিতে। তার বদলে, এক কোটি ডলারের বিশেষ ‘নির্মাতা তহবিল’ গঠন করেছে মেটা। অ্যাপের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন প্রতিযোগিতা জিতলে ওই তহবিল থেকে পুরষ্কারের অর্থ পাবেন নির্মাতারা।

মেটা’র অকুলাস কোয়েস্ট ২ হেডসেটের ক্রেতারা ‘হরাইজন ওয়ার্ল্ডস’ ব্যবহার করতে পারবেন বিনা খরচে। একসঙ্গে ২০ জনের সঙ্গে হ্যাং আউট করা যাবে হরাইজন ওয়ার্ল্ডসে। এই অ্যাপ ব্যবহার করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের। ১৮ বা তার বেশি বয়সী যে কেউ ভার্চুয়াল রিয়ালিটি জগতটিতে নিজের ভাসমান অ্যাভাটার তৈরি করতে পারবেন। তবে অ্যাপটিতে কেবল মাত্র দেহের উপরের অংশই অ্যাভাটার হিসেবে দেখা যাবে।

গেমাররা যেন বাড়তি কোনো ডাউনলোড ছাড়াই সহজে ওই টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন সেজন্য নির্মাণ টুলগুলো সরাসরি ভার্চুয়ালি রিয়ালিটি গেমের মধ্যেই দেওয়ার কথা জানিয়েছে বিবিসি।

হরাইজন ওয়ার্ল্ডসে উড়ে বেড়াতে পারবেন গেইমার। গাছ বা অন্যান্য ‘আইটেম’ নির্মাণকাজে ব্যবহার করে নিজের আলাদা ‘কাস্টম এনভায়রনমেন্ট’ বানাতে পারবেন তারা। আর নিজের তৈরি গেইমের নিয়ম নির্ধারণের জন্য আগে থেকে লিখে রাখা কোড ব্যবহার করতে পারবেন গেমাররা।

আর এই কর্মকাণ্ডের সবই করা যাবে ওই ভার্চুয়াল রিয়ালিটি দুনিয়ার মধ্যেই, প্রয়োজন পড়বে না কোনো আলাদা কম্পিউটার স্ক্রিনের।প্রায় একই প্রক্রিয়ায় কাজ করছে অন্যান্য ভিআর নির্মাতাদের অনেকে। গেইমারদের জন্য নিজস্ব ‘রুম’ নির্মাণের সুযোগ দেয় ভিআর সেবা ‘রেক রুম’। নিজস্ব রুমে অন্যদের সঙ্গে গেইম খেলা বা আলাপাচারিতার সুযোগ পান ব্যবহারকারী।

ফেসবুক নাম পাল্টে ‘মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড’ হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির যে পণ্য বা সেবাগুলো বাজারজাত করেছে। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে ‘হরাইজন ওয়ার্ল্ডস’কে। নাম পরিবর্তনের সময়েই একাধিক ডিজিটাল দুনিয়াকে সংযুক্ত করে ‘মেটাভার্স’ নির্মাণ লক্ষ্যের কথা বলেছিল প্রতিষ্ঠানটি।

অ্যাপটি বেটা পর্যায়ে থাকা অবস্থাতেই “কয়েক হাজার” ভার্চুয়াল জগত ব্যবহারকারীরা তৈরি করে ফেলেছেন বলে দাবি করছে মেটা। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে একটি প্রাইভেট বিটা হিসাবে প্রথম ঘোষণা করা হয়েছিল।

সূত্র: দ্য ভার্জ

 


মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, ফেসবুকের ভবিষ্যৎ হলো মেটাভার্স। ত্রিমাত্রিক এই ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায় ব্যবহারকারীরা এমনভাবে কথোপকথন চালাতে কিংবা কাজে অংশ নিতে পারবেন, যেন একে অপরের ঠিক পাশেই আছেন। এখন তিনি বলছেন, সে জগতে কেবল দেখা কিংবা শোনা নয়, মিলবে স্পর্শের অনুভূতিও। সে জন্য হাতে থাকতে হবে বিশেষ প্রযুক্তির গ্লাভস বা দস্তানা। সে গ্লাভস কীভাবে কাজ করবে, গতকাল মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে তা-ও দেখিয়েছেন তিনি।

ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান দ্য রিয়েলিটি ল্যাবস এই গ্লাভস তৈরি করছে। এরই মধ্যে একটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ (প্রোটোটাইপ) দেখিয়েছে তারা, যেটি হাতে থাকলে ভার্চ্যুয়াল বস্তু হাতে নেওয়ার অনুভূতি মিলবে। সমন্বিত অভিজ্ঞতার জন্য ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেটের সঙ্গে গ্লাভসটি বাজারজাত করা হতে পারে। আর ভবিষ্যতে অগমেনটেড রিয়েলিটি (এআর) গ্লাসের সঙ্গে ব্যবহারোপযোগী করে তোলা হবে বলে জানানো হয়েছে এনডিটিভির প্রতিবেদনে। এই ভিআর ও এআর প্রযুক্তির সাহায্যেই পরিচালিত হবে ভবিষ্যতের মেটাভার্স।


গতকাল মঙ্গলবার গ্লাভসটির কারিগরি খুঁটিনাটি প্রকাশ করে মেটা। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ বছর ধরে গ্লাভসটি তৈরিতে কাজ করছে রিয়েলিটি ল্যাবস। তবে কবে নাগাদ পূর্ণাঙ্গ গ্লাভস বিক্রি সম্ভব হবে, তা এখনো তাদের অজানা। এক বিবৃতিতে মেটা জানিয়েছে, গবেষণা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও তাদের লক্ষ্য মূলত আরও সমন্বিত অভিজ্ঞতার জন্য ভিআর হেডসেটের সঙ্গে গ্লাভস যুক্ত করা।

মেটার শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, গ্লাভসটি পরিধানকারীর হাতে এমন অনুভূতি তৈরি করে, যার মাধ্যমে বাস্তব বস্তুর ভর এবং স্পর্শ পাওয়া সম্ভব। গ্লাভসে যুক্ত থাকছে প্লাস্টিকের তৈরি ছোট ছোট মোটর যা অ্যাকচুয়েটর নামে পরিচিত। এগুলোর মাধ্যমেই পরিধানকারীর হাতে ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায় কোনো কিছু ধরার অনুভূতি মিলবে। সেটা হতে পারে বল ছুড়ে দিয়ে ধরা, আবার কারও সঙ্গে করমর্দন করা। ব্যাপারটা এমন যে দুই বন্ধু ২০০ কিলোমিটার দূরে নিজ নিজ ঘরে বসে থেকেও একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করতে পারবেন। তা-ও আবার যথারীতি হাত নাড়িয়ে।



গ্লাভসটি কাজ করে মাইক্রোফ্লুইডিকসের সাহায্যে, এর মাধ্যমে বাতাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাকচুয়েটরগুলোকে নাড়ানো যায়। পাশাপাশি হ্যান্ড-ট্র্যাকিং প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করছে মেটা।

রিয়েলিটি ল্যাবসের প্রকৌশলী ক্যাথেরিন হিলি বলেন, ‘এখন দক্ষ প্রকৌশলীরা প্রতিটি গ্লাভস আলাদা করে তৈরি করছেন, যেখানে যন্ত্রাংশ তৈরি করে সেগুলো জুড়ে দেওয়ার কাজ করা হচ্ছে হাতে হাতে। সম্ভব হলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আধা স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে ঠিকই, তবে বিপুল পরিমাণ এই গ্লাভস তৈরির জন্য আমাদের সম্পূর্ণ নতুন উৎপাদনপ্রক্রিয়া উদ্ভাবন করতে হবে।’


শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমের নতুন একটি সংস্করণ ছাড়ার ঘোষণা দিল মাইক্রোসফট। গতকাল মঙ্গলবারের ঘোষণায় সেটিকে ‘উইন্ডোজ ১১ এসই’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ডেল বা এইচপির মতো কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন অপারেটিং সিস্টেমের (ওএস) কম্পিউটার বাজারে তো ছাড়বেই, মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকেও নতুন একটি ল্যাপটপ কম্পিউটারের ঘোষণা এসেছে। ‘সারফেস ল্যাপটপ এসই’ মডেলের ল্যাপটপটিতে আগে থেকেই উইন্ডোজ ১১ এসই ইনস্টল করা থাকবে। ল্যাপটপটির দাম শুরু হচ্ছে ২৪৯ ডলার থেকে, বাজারে আসার কথা রয়েছে ২০২২ সালের শুরুর দিকে।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও পোক্ত করতেই মাইক্রোসফটের এমন উদ্যোগ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালে বাজারে আসা পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোর ৮৩ শতাংশে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ছিল, আর গুগলের ক্রোম ওএস-চালিত কম্পিউটার ছিল ১০ শতাংশ। গুগল বেশ পিছিয়ে থাকলেও ক্রমবর্ধমান বাজার হিস্যা মাইক্রোসফটকে ভাবিয়ে তুলেছে, আর সে কারণেই তুলনামূলক কম দামের ল্যাপটপগুলোতে মনোযোগী হলো তারা।


 করোনাকালে ঘরে থেকে অনলাইনে ক্লাস চালাতে শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাপটপের চাহিদা বেড়ে যায়। দাম কম হওয়ায় শিক্ষার্থীরাও ক্রোমবুকে ঝুঁকতে শুরু করে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও অনলাইন ক্লাসের রীতি এখনই বন্ধ হচ্ছে না। আর সে জন্যই শিক্ষার্থীদের সহজে ব্যবহারের জন্য এবং তাদের কথা মাথায় রেখে উইন্ডোজের সংস্করণটির ঘোষণা দিল মাইক্রোসফট।

সহজে ব্যবহার করার জন্য নতুন উইন্ডোজ ‘অপশন’ কম রাখছে মাইক্রোসফট। যেমন এক ঘরানার কেবল একটি অ্যাপ থাকবে। মনোযোগে ব্যাঘাত যেন না ঘটে, সে জন্য অ্যাপগুলো সচরাচর ফুলস্ক্রিন মোডে চালু হবে ইত্যাদি।

মাইক্রোসফট অফিস স্যুটের সফটওয়্যারগুলো এখন সাধারণত ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে ব্যবহার করতে হয়। তবে সব শিক্ষার্থীর বাড়িতে ভালো ইন্টারনেট সংযোগ না-ও থাকতে পারে। উইন্ডোজ ১১ এসইতে এই সফটওয়্যারগুলো অফলাইনে চালানো যাবে। ইন্টারনেটে যুক্ত হলে সেগুলো হালনাগাদ করে নেবে উইন্ডোজ। তা ছাড়া নিরাপত্তার জন্য উইন্ডোজ ১১ এসইতে চলা কম্পিউটারগুলোতে কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইটি অ্যাডমিনরা সফটওয়্যার ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে পারবেন।

মাইক্রোসফটের নতুন সারফেস ল্যাপটপ এসইর প্রাথমিক মডেলটিতে ১১ দশমিক ৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ইনটেল সেলেরন প্রসেসর, ৪ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ৬৪ গিগাবাইট স্টোরেজ আছে। দাম ২৪৯ ডলার।

বিশেষ করে স্কুলে ব্যবহারের জন্য উইন্ডোজ এবং ল্যাপটপটি বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হলো
বিশেষ করে স্কুলে ব্যবহারের জন্য উইন্ডোজ এবং ল্যাপটপটি বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হলো
মাইক্রোসফট

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য কেনা কম্পিউটারগুলোতেও আগে থেকে উইন্ডোজ ১১ এসই ইনস্টল করার পরিকল্পনা মাইক্রোসফটের। আর সে কারণে উইন্ডোজ ১১ এসই চালিত ডিভাইসগুলো বেশির ভাগ আগামী বছরের শুরুতে বাজারে আসা শুরু করবে। স্কুলগুলো সচরাচর সে সময়ে নতুন কেনাকাটার জন্য বাজেট নির্ধারণ করে থাকে।

 ৮ লাখ কোটি টাকায় গ্রামীণফোন কিনেছি, মন্ত্রীকে ফোন!

ঢাকা: আট লাখ কোটি টাকায় গ্রামীণফোন কেনার দবি করেছে এক ব্যক্তি। আর এই দাবি জানিয়েছেন তিনি খোদ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে।

‘অদ্ভুত’ সেই ফোন কলের ঘটনা বুধবার ফেসবুকে তুলে ধরেছেন মন্ত্রী।  

মন্ত্রী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, বড় অদ্ভুত একটা ফোন পেলাম একটু আগে। এক লোক ফোন দিয়ে বললো, তার নাম রাসেল। সে গ্রামীণফোনের মালিক। ২০১৬ সালে ৮ লক্ষ কোটি টাকা দিয়ে গ্রামীণফোন কেনা হয়েছে। তার আত্মীয় স্বজনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, তার উন্নত চিকিৎসা করার জন্য।

গ্রামীণফোনের মূল প্রতিষ্ঠান টেলিনর, বাংলাদেশে জনপ্রিয় মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে সেবা দিচ্ছে। বিটিআরসির তথ্যমতে, দেশে মোট মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা ১৭ কোটি ৮৬ লাখ, যার মধ্যে ৮ কোটি ৩১ লাখ গ্রাহকই গ্রামীণফোনের।


নিউইয়র্ক : বদলের আবহে আরও নতুন একটি আপডেট আনল ফেসবুক (Facebook)। এবার থেকে মেসেঞ্জারের (Messenger) ভয়েস ও ভিডিও কলও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপটেড (End-to-End encrypted) হবে। ব্যক্তিগত চ্যাটের পাশাপাশি মেসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাট, গ্রুপ অডিও বা ভিডিও কলের ক্ষেত্রে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মার্ক জুকেরবার্গ (Mark Zukerberg)। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে যে বার্তা দেওয়ার পাশপাশি জুকেরবার্গের বার্তা, সমস্ত সার্ভিসের ক্ষেত্রেই এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন নিশ্চিত করা তাদের লক্ষ্য।


কিছুদিন আগেই ফেসবুক থেকে বদলে মূল কোম্পানির নাম মেটা (Meta) করার কথা ঘোষণা করেছিলেন জুকেরবার্গ। যে মেকওভার চলার মাঝেই মেসেঞ্জারের নতুন আপডেটের কথা জানালেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp) মালিকানা আপাতত জুকেরবার্গের কোম্পানির হাতেই। যেখানে কার্যকর এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন। এবার সেই একই পরিষেবা মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রেও আনার কথা জানালেন তিনি। যদিও এই আপডেটের ঘোষণা উৎসাহিের তুলনায় সমালোচকদের সংখ্যাই বেশি। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বলছেন, তাহলে এতদিন মেসেঞ্জারের তথ্য যে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপটেড ছিল না, সেটাই কী ঘুরিয়ে স্বীকার করে নিলেন জুকেরবার্গ।



প্রসঙ্গত, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের অর্থ যে দু'জনের মধ্যে কথোপকথন হয়েছে, তারা বাদে সেই তথ্য অন্য কেউ দেখতে পাবেন না। অবশ্য জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যা ব্যবহার করা যায়। কিন্তু ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে ব্যক্তিপরিসরে উঁকি মারে। ব্যক্তিগত তথ্য (Data) হাতিয়ে নিয়ে তা অন্য সংস্থাকে অনৈতিকভাবে বিক্রি করে ব্যবসা করার মতো অনৈতিক অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। যার বিরুদ্ধে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে লড়াই চলছে তাদের। যদিও বরাবর ব্যক্তিতথ্য সুরক্ষিত রেখে অনৈতিক কোনও কাজের অভিযোগ মানতে অস্বীকার করেছে ফেসবুক।


তবে জুকেরবার্গের অন্যবারের আপডেটের ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহের আবহ বেশি থাকে, এবারে তেমনটা কিন্তু হচ্ছে না। এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন বা ব্যক্তিতথ্য পরিসরের অপ্রিয় প্রসঙ্গ এসে পরাতে কিছুটা বিড়ম্বনাতেই পড়তে হচ্ছে ফেসবুককে। 

 

মোবাইলে ইন্টারনেট না থাকলেও জরুরি প্রয়োজনে ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহার করে টেক্সট পাঠানো যাবে। এ সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও মোবাইল অপারেটরগুলো। এজন্য ‘শুধু টেক্সটের মাধ্যমে যোগাযোগের জন্য ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ডিসকভার অ্যাপ’ উদ্বোধন করা হবে। একই সঙ্গে ‘মোবাইল ডাটা প্যাকেজ নির্দেশিকা’ও প্রকাশ করবে বিটিআরসি।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বিটিআরসির সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে ‘মোবাইল ডাটা প্যাকেজ নির্দেশিকা এবং শুধুমাত্র টেক্সটের মাধ্যমে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ডিসকভার অ্যাপ’ উদ্বোধন করা হবে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং সচিব মো. খলিলুর রহমান উপস্থিত থাকবেন।

বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, সবার সবসময় ডাটা (ইন্টারনেট) থাকে না। গ্রাহকরা যাতে ডাটা ছাড়াই টেক্সট পাঠাতে পারেন, সে জন্য অপারেটররা মিলে এই সুবিধা চালু করছে।

চেহারা শনাক্ত করার প্রযুক্তি ফেসিয়াল রিকগনিশন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক


আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন, চেহারা শনাক্ত করার প্রযুক্তি ফেস রিকগনিশন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান ‘মেটা’। এই প্রযুক্তির সাহায্যে ছবি বা ভিডিওতে ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করতে পারে ফেসবুক। ব্যবহারকারীদের শঙ্কা এবং নীতিনির্ধারকদের চাপের মুখে সুবিধাটি বন্ধের ঘোষণা দিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মটি। তবে এর অর্থ কী এবং ফেসবুক ব্যবহারে কী ধরনের পরিবর্তন আনবে, চলুন তা জানার চেষ্টা করি।

মনে করুন, পাঁচ বন্ধুর দেখা হলো বহুদিন পরে। আবার কবে একসঙ্গে হবেন তার ঠিক নেই বলে কিছু ছবি তুললেন। ফেসবুকে সেই ছবি পোস্ট করার সময় দেখলেন, আপনি ট্যাগ করে দেওয়ার আগেই ফেসবুক নিজে থেকেই সবাইকে নির্ভুলভাবে ট্যাগ করে দিচ্ছে, অন্তত বলছে কে কোনটা। আবার অনেক সময় নোটিফিকেশন আসে, যেখানে বলা থাকে, অন্য কেউ একটি ছবি পোস্ট করেছেন, যে ছবিতে হয়তো আপনিও আছেন।

ফেসবুকের এই অটো ট্যাগিং সিস্টেম কাজ করে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির সাহায্যে। আপনার একাধিক ছবিতে চেহারা বিশ্লেষণ করে ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর অ্যালগরিদম বুঝতে শেখে আপনার চেহারা কেমন কিংবা কোন ছবিতে আপনি আছেন। এখন সেই প্রযুক্তি বন্ধ করে দেওয়া হলে নিজে থেকে ফেসবুক আপনাকে কিংবা আপনার ছবিতে থাকা অন্য ফেসবুক ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করতে পারবে না। অন্তত পারার কথা নয়। কারণ, এতদিন যে ছবিগুলো দেখে ফেসবুক আপনাকে বা অন্য ব্যবহারকারীদের চিনতে শিখেছে, ফেসবুক সেই শনাক্তকরণের তথ্য মুছে ফেলার ঘোষণা দিয়েছে।

ব্যবহারকারীরা ছবিতে ফেসবুক বন্ধুদের আগের মতোই ট্যাগ করতে পারবেন। কেবল ফেসবুক নিজে থেকে ট্যাগ করে দেবে না বা ট্যাগ করার পরামর্শ দেবে না। একই সঙ্গে অন্য কেউ যদি আপনার ছবি আপলোড করে, তবে ফেসবুক আপনাকে তা জানাতে পারবে না। কারণ, ওই ছবিতে যে আপনি আছেন, ফেসবুক তা বুঝতে পারবে না।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য একটি সুবিধা তৈরির ঘোষণা দিয়েছিল ফেসবুক। যেখানে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবির বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করে শোনানো হতো। যেমন ছবিতে মুহিব নদীতীরে দাঁড়িয়ে আছে, পেছনে উড়ে যাচ্ছে একঝাঁক পাখি। এখন নদীতীর কিংবা পাখির বর্ণনা আগের মতোই দেওয়া হবে, শুধু ছবির মানুষ যে মুহিব, তা বলা হবে না।

শঙ্কা কিসের

ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তি এখন অনেকটা নির্ভুলভাবেই চেহারা শনাক্ত করতে পারে। আর সেই সঙ্গে প্রযুক্তিটির সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে শঙ্কা বাড়তে থাকে জনমনে। বিশেষ করে নানা দেশের সরকার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান নজরদারি বাড়াতে পারে। চীনে এই প্রযুক্তির সাহায্যে উইঘুর মুসলিমদের শনাক্ত করে দেশটির সরকার।

আগের ঘোষণা অনুযায়ী, ফেসবুক ব্যবহারকারীর ফেস রিকগনিশন–সংক্রান্ত তথ্য বিক্রি বা হস্তান্তর করে না, বরং নিজেদের সেবার উন্নয়নে কাজে লাগায়। সেই কথা যদি সত্যিও হয়, তবু নানা দেশের আইনপ্রণেতারা বিশ্বাস করবেন কেন? বিশেষ করে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের নজির যখন তাঁদের চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে। 


চেহারা শনাক্ত করার প্রযুক্তি ফেসিয়াল রিকগনিশন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক



বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের মধ্যে টেলিযোগাযোগ সেবা সংক্রান্ত এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। গতকাল সোমবার বিটিসিএলের প্রধান কার্যালয়ের বিটিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল মতিন এবং বাংলালিংকের সিইও এরিক আস নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিটিসিএল জানায়, দেশের মোবাইল অপারেটর টেলিটক, রবি এবং গ্রামীণফোন বিটিসিএলের সেবা নিচ্ছে। এবার বাংলালিংকও এ তালিকায় যুক্ত হলো। বিটিসিএল এখন দেশের সব মোবাইল অপারেটরকে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানে সক্ষম।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার অনলাইনে যুক্ত হয়ে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রায় দেশের টেলিকম খাতের অর্জ ব্যাপকভাবে দৃশ্যমান । এ সময় সব মোবাইল অপারেটরদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের কথা বলেন বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল মতিন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. আফজাল হোসেন, বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সিইও শাহজাহান মাহমুদ।

শুক্রবার ঢাকায় শুরু হচ্ছে দু'দিনব্যাপী ই-কমার্স ডাক মেলা। রাজধানীর জেনারেল পোস্ট অফিস (জিপিও) চত্বরে এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
মেলার উদ্বোধন করবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। দু'দিনের এই ডাক মেলার মধ্য দিয়েই শেষ হবে বিভাগীয় পর্যায়ের জাতীয় ই-কমার্স ডাক মেলা।

মেলার সমন্বয়ক আসিফ আহনাফ জানান, মেলায় ৬টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ৬টি প্যাভিলিয়নসহ মোট ৮০টি স্টলে বিশেষ ছাড় ও উপহারে নিজেদের পণ্য ও সেবার পসরা নিয়ে হাজির হচ্ছে দারাজ, আজকের ডিল, চালডাল, প্রিয়শপ, রকমারি, দিনরাত্রি, ই-পোস্ট, স্পিকলার , রেজিস্ট্রো, অর্গানিক অনলাইন, লেইসফিতা, ডিজিটাল হাব সলিউশনস লি., স্পাইডার ডিজিটাল, আমার শপ, খাসফুড, সাজগোজ, ওয়ালেট মিক্স, ক্রিয়েটিভ আইটি, বইঘর, টিভিএস, সুন্দরবন, সিএক্সপ্রেস, এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড, ডিবিবিএল, পাঠাও, পেপারফ্লাই, কাবলিওয়ালা, সিন্দাবাদ, বাগডুম, মিচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, কমইঞ্জিন, বাংলাওয়েট্রেড, বিদ্যুৎ লি., এপকম, সপারু, জেএমএস, ক্রাফট ভিশন এবং সিঙ্গারের মতো প্রতিষ্ঠান।
মেলা প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিবেশিত পণ্যের ই-বিপণন ও সেবা প্রদর্শনীর পাশাপাশি সেমিনার ও ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়েছে। মেলার শেষ দিন শনিবার অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিনার।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরবেন মেলার আয়োজক ই-ক্যাব সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমাল।
(jagonews24)

ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের অভিযোগ ফেসবুকের বিরুদ্ধে নতুন নয়। তবে নতুন খবর হলো ফেসবুকে ঘুরতে থাকা অ্যাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
ফেসবুকে ব্যক্তিত্ব যাচাইয়ের যে লিঙ্কগুলো আসে, এবার সেগুলোকে একেবারে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ এই ধরনের একটি অ্যাপ থেকে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

জানা গেছে, ওই অ্যাপগুলোতে যে লিঙ্ক দেওয়া হতো সেখানে ক্লিক করলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সব তথ্য চাওয়া হতো। না হলে ওই লিঙ্ক কাজ শুরু করত না। ফলে অনেকেই ব্যক্তিত্ব যাচাইয়ের জন্য ওই অ্যাপে ফেসবুকে থাকা সব তথ্য দিয়ে দিতেন।
এভাবেই তথ্য চুরি হয়ে যেত ব্যক্তিগত তথ্য। এ জন্য ফেসবুককেই দায়ী করেছেন অনেকে। তাদের বক্তব্য, ফেসবুক ওই সময় তথ্য চুরি ঠেকাতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। ওই তথ্যগুলো কোথায় ব্যবহার হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকলে আর সমস্যা হত না।
যদিও বছরখানেক আগেই ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী ফেসবুককে আরও সুরক্ষিত করা হচ্ছে।
(jagonews24)


আন্তঃনগর সব ট্রেনের ৫০ শতাংশ টিকিট এখন থেকে অ্যাপ, মোবাইল ও অনলাইনের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। রোববার ‘রেল সেবা’ নামে মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
জেনে নিন রেল সেবা অ্যাপ দিয়ে যেভাবে ট্রেনের টিকিট কাটবেন-

প্রথম ধাপ
এই ঠিকানা https://play.google.com থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে। ১৭ মেগাবাইট সাইজের এই অ্যাপটি এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি ডাউনলোড হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপ
অ্যাপটি খুলে নাম, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল, ঠিকানা, পোস্ট কোড, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মতারিখ ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ‌'সাইন আপ' করুন। যদি ওয়েবসাইটে আগেই অ্যাকাউন্ট খোলা থাকে তাহলে সেই মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করুন।
তৃতীয় ধাপ
Purchase ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার From Station ট্যাব থেকে যে স্টেশন থেকে ট্রেনে ভ্রমণ করতে চান তা নির্বাচন করুন। To Station ট্যাব থেকে যে স্টেশনে যেতে চান তা নির্বাচন করুন। Journey Date থেকে ভ্রমণের তারিখ নির্বাচন করুন। এরপর Search Train এ ক্লিক করুন।
চতুর্থ ধাপ
এখানে আপনার গন্তব্যের সবগুলো ট্রেনের তালিকা দেখতে পাবেন। তালিকা থেকে পছন্দের ট্রেনের আসন, টিকিট সংখ্যা, পছন্দের সিট (যদি থাকে) নির্বাচন করুন।
পঞ্চম ধাপ
সবকিছু দেখে Pay Now ট্যাবে ক্লিক করুন। বাংলাদেশের যে কোন ভিসা কার্ড, মাস্টার কার্ড, এমেক্স কার্ড বা বিকাশ দিয়ে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে টিকিট বুঝে নিন।
ই-মেইল থেকে টিকিটের প্রিন্ট নিয়ে নিন। এই প্রিন্ট কপি দিয়েই ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন। চাইলে নির্ধারিত স্টেশন থেকে প্রিন্ট কপি দিয়ে ট্রেনের প্রিন্টেট টিকিটও সংগ্রহ করে ভ্রমণ করতে পারবেন।
একজন যাত্রী অ্যাপের মাধ্যমে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট নিতে পারবেন। রেলসেবা অ্যাপটি বর্তমানে সব ধরনের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে। শিগগিরই আইফোন ভার্সন চালু করা হবে।
(jagonews24)

ঢাকা:
 ডেটা সায়েন্স ও মেশিন লার্নিংয়ে দক্ষতা ও প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে আয়োজিত দেশের প্রথম ডেটাথন প্রতিযোগিতা সফলভাবে শেষ হয়েছে। ২৪ ঘণ্টাব্যাপী এই ডেটাথন প্রতিযোগিতায় ডেটা বিজ্ঞানী ও ডেটা প্রকৌশলী মিলে মোট ৮৪ জন প্রতিযোগী ২১টি দলে বিভক্ত হয়ে অংশ নেন। দেশের শীর্ষ ডিজিটাল সেবাপ্রদানকারী কোম্পানি রবি এ আয়োজন করে।ডেটাথনের আয়োজনে রবির পার্টনার হিসেবে ছিলো গুগল এবং কারিগরি সহায়তায় আজিয়াটা অ্যানালিটিকস।

গত ১৯ ও ২০ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতাটি শনিবার (২০ এপ্রিল) পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
রাজধানীর একটি হোটেলে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন রবি’র হেড অব কর্পোরেট স্ট্র্যাটেজি রুহুল আমিন। এ সময় রবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকরা ইন্সটিঙ্কট দলকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেন। এ দলের সদস্য হিসেবে ছিলেন আবু মোহাম্মদ সাব্বির খান, ইশফাক জামান, নুরেন শামস ও শরিফুল ইসলাম ফয়সাল। ডেটাথনে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে বেস্ট ফিটেড এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে আউটলায়ারস দল।
অন্যদিকে, দেশে আয়োজিত প্রথম ডেটাথনে সেরা ডেটা বিজ্ঞানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইশফাক জামান ও নুরেন শামস এবং সেরা ডেটা প্রকৌশলী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. কাইফ হোসেন ও পরিমল চন্দ্র।
বিজয়ী দল পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে দুই লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দল পেয়েছে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী দল পেয়েছে এক লাখ টাকা। দুই জন সেরা ডেটা বিজ্ঞানী ও দুইজন সেরা ডেটা প্রকৌশলী প্রত্যেকে পেয়েছেন এক লাখ করে টাকা। প্রতিযোগিতায় মোট ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করা হয়।
চূড়ান্ত পর্বের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন টিএম ফোরাম’র অ্যাম্বাসেডর ফর বিগ ডেটা এনালিটিকস অ্যান্ড কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অধ্যাপক পল মরিসন, রবি’র হেড অব আইটি আসিফ নাইমুর রশিদ, বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. সোহেল রহমান এবং হেড অব আজিয়াটা এনালিটিকস পেড্রো উরিয়া রেসিও।
সেমি-ফাইনাল পর্বের বিচারক হিসেবে ছিলেন বুয়েটের সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতিফ হাসান রহমান ও মো. শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া, আজিয়াটা’র চিফ ডেটা সায়েন্টিস্ট ড. কিরাতপাল সিং, এশিয়া স্কুল অব বিজনেস’র অধ্যাপক উইলেম স্মিত, রবি’র এন্টাপ্রাইজ বিজনেস ইন্টেলিজেন্স’র ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিব মুসতাবসির এবং রিসোর্সিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাভেদ পারভেজ।
ডেটাথন প্রতিযোগিতায় অংশগহণের জন্য নিবন্ধন শুরু হয় গত ২৫ মার্চ। এরপর আজিয়াটা এনালিটিকস’র দেয়া নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে মূল্যায়নের জন্য নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন আগ্রহী প্রার্থীরা। মূল্যায়ন প্রশ্নোত্তরের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্তপর্বে অংশগ্রহণের জন্য ৮৪ জন প্রতিযোগীকে নির্বাচন করা হয়।
এরপর আয়োজকরা বাছাইকৃত প্রার্থীদের তালিকা থেকে চারজন করে এক একটি দল গঠন করেন। চূড়ান্তপর্বে মোট ২১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের ডেটা সায়েন্স সম্পর্কিত নানা সমস্যার সমাধান করতে বলা হয়। এরপর নির্ধারিত কয়েকটি মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি দলের যোগ্যতা যাচাই করেন বিচারকরা।
অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন প্রতি মুহূর্তে যে পরিমাণ ডেটা তৈরি হচ্ছে তাতে আমাদের সামনে দুটি পথ খোলা আছে; হয় আমরা অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবো অথবা ডেটার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করবো। আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক হচ্ছে দ্বিতীয় পথ বেছে নেয়ার জন্য আমাদের যথেষ্ট জনশক্তি আছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে ১ হাজার ডেটা সায়েন্টিস্ট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের। এসময় রবি ডেটাথনের মতো উদ্যোগ হাতে নিয়ে আমাদের কাজকে আরো সহজ করে দিয়েছে।
রবি’র সিইও বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতির চালিকা শক্তি হচ্ছেন ডেটা বিজ্ঞানী ও ডেটা প্রকৌশলীরা। তারা সেই ব্যক্তি যারা কোন প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ডেটাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে রূপান্তর করেন। সরকারি নীতিনির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন তারা। তাই দেশে প্রথমবারের মতো ডেটাথন আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি, এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশে ডেটা বিজ্ঞানী ও ডেটা প্রকৌশলীদের একটি কমিউনিটি গড়ে উঠবে যারা ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিতে সহায়তা এবং তাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে বিশ্ব দরবারে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করবেন।
বাংলাদেশ সময়: ০১০৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ২১, ২০১৯
এমআইএইচ/এমজেএফ
(banglanews24)

প্রিয়.কম) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটককে উন্নত গ্রাহকসেবা দিতে বেশ কয়েকবার নির্দেশনা দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। নির্দেশনা অনুযায়ী, মোবাইলে ইন্টারনেট সেবায় স্বল্পমূল্যে প্যাকেজ নিয়ে আসলেও ‘পে পার ইউজ’ (যতটুকু ব্যবহার ততটুকু বিল) প্রক্রিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশনাই মানছে না টেলিটক
ইন্টারনেট প্যাকেজের বাইরে ‘পে পার ইউজ’-এর ক্ষেত্রে পাঁচ টাকার বেশি অতিক্রান্ত হলে (ইন্টারনেট প্যাকেজ, বান্ডেল/অফার ওটিপি-ইন বা সাবস্ক্রাইব করা ছাড়া) ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও তা না মেনে গ্রাহকের পকেট কাটছে এই অপারেটরটি।
এমন ভুক্তভোগী পাঠকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি যাচাই করে প্রিয়.কম। ফলাফলে এমন অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
দেখা গেছে, ‘পে পার ইউজ’-এর মাধ্যমে গ্রাহক যতক্ষণ ইন্টারনেট চালাচ্ছেন ততক্ষণ গ্রাহকের ব্যালেন্স থেকে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে।
যা ছিল বিটিআরসির নির্দেশনায়
চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি প্যাকেজ/অফার/বান্ডেল সম্পর্কিত একটি নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি।
গ্রাহক স্বার্থ রক্ষার্থে বিটিআরসির এই নির্দেশনার ‘খ’ নম্বর ক্রমিকে জানানো হয়, একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ পাঁচ টাকা ‘পে পার ইউজ’ (যতটুকু ব্যবহার ততটুকু বিল) প্রক্রিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। নির্ধারিত সীমা (৫ টাকা) অতিক্রম করলে গ্রাহককে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট প্যাকেজ/বান্ডেল/অফার ওটিপি-ইন বা সাবস্ক্রাইব করতে হবে।
ওই ক্রমিকে আরও বলা হয়, এই সংক্রান্ত পূর্বের নির্দেশনাটি বাতিল করা হলো।
‘গ’ নম্বর ক্রমিকে বলা হয়, অটো রিনিউ ফিচার চালুকৃত ইন্টারনেট/প্যাকেজ/বান্ডেল/অফারসমূহ ক্রয়কৃত ইন্টারনেট ভলিউম অথবা মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া মাত্রই প্যাকেজ/বান্ডেল/অফারটি পুনরায় চালু হয়ে যাবে। যদি গ্রাহক ‘অটো রিনিউ ফিচার’ চালু না করে থাকে সেক্ষেত্রে ‘খ’ নং নির্দেশনাটি প্রযোজ্য হবে।
টেলিটক সিম ব্যবহারে যা মিলল
ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি টেলিটক সিম ব্যবহার করা হয়। সিমটিতে ব্যবহার করা হতো এক জিবির ইন্টারনেট প্যাকেজ। এই প্যাকেজটি ‘অটো রিনিউ’ ফিচারের আওতার বাইরে ছিল।
যাচাইয়ের আগে সিমটিতে থাকা চার এমবি ইন্টারনেট শেষ করা হয়। এমবি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টেলিটক থেকে একটি মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়, ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট প্যাকেজ শেষ হয়েছে এবং তিনি ‘পে পার ইউজ’-এর আওতায় রয়েছেন।
এ সময় মোবাইলের সেলুলর ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে ব্যালেন্স চেক করে ফের ইন্টারনেট কানেকশন চালু করা হয়। ‘পে পার ইউজ’ ফিচারের মাধ্যমে ইন্টারনেট চালানোর প্রায় এক মিনিট পর ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে ব্যালেন্স চেক করা হয়। দেখা যায়, নির্ধারিত সীমা পাঁচ টাকার বেশি ব্যালেন্স কেটে নিয়েছে অপারেটরটি।
কী বলছে টেলিটক
এ বিষয়ে কথা বলতে টেলিটকের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে কর্মরত এক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ‘পে পার ইউজ’-এর ক্ষেত্রে বিটিআরসির দেওয়া নির্দেশনা না মানার বিষয়টি তাকে অবহিত করলে ওই কর্মকর্তা বিষ্ময় প্রকাশ করেন।
তিনি দাবি করেন, এমনটি হওয়ার কথা না। রাষ্ট্রীয় অপারেটর বিটিআরসির নির্দেশনা পালন করছে না, এমন তথ্য ঠিক না।
বিষয়টি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি যাচাই সাপেক্ষে পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
(Priyo)


কামরুল হাসান : বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের অগ্রযাত্রায় আরেকটি সাফল্য যুক্ত হলো। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আরো একটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ। টানা ষষ্ঠ বারের মতো এ খাতে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ‘ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার-২০১৯’ অর্জন করেছে বাংলাদেশের নয়টি প্রকল্প।
সম্প্রতি জেনেভায় আড়ম্বরপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের হাতে ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার-২০১৯ তুলে দেওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ও ডব্লিউএসআইএস ফোরাম-২০১৯-এর চেয়ারম্যান মোস্তাফা জব্বার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।


অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, এটুআই’র পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী, এডুকেশনাল টেকনোলজি এক্সপার্ট রফিকুল ইসলাম, ইনোভেশন ফান্ড এক্সপার্ট নাহিদ আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কারের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১১৪০টি আবেদন জমা পড়ে। প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হয় ১০৬২টি আবেদন। দ্বিতীয় দফা বাছাই ও মূল্যায়নে টিকে থাকে ৪৯২টি প্রকল্প। এরপর ভোটাভুটির জন্য বিশ্বজুড়ে উন্মুক্ত করে দেয়া হয় প্রকল্পগুলো।
বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘের বহুমাত্রিক অংশীদারদের প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে দ্য ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি বা ডব্লিউএসআইএস। ২০ লাখ ভোটে তালিকায় আসে ৯০টি প্রকল্প। এর মধ্যে ৭২টি প্রকল্প চ্যাম্পিয়ন হয়, যেখানে বাংলাদেশের প্রকল্প আটটি। ১৮টি প্রকল্প হয় উইনার, এর মধ্যে বাংলাদেশের একটি।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার এবং ই-গভর্ন্যান্স ইন্টারঅপারেবিলিটি ফ্রেমওয়ার্ক’ প্রকল্প উইনার পুরস্কার পায়। ডবিøউএসআইস অ্যাকশন লাইন ক্যাটাগরি-৬ এর এনাব্লিং এনভায়রনমেন্ট ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেয়া হয়।
চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার পাওয়া প্রকল্পগুলো হলো- ক্যাটাগরি ২ (ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার)- সরকারের ডেভেলপমেন্ট অব আইসিটি ইনফ্রা-নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট বা ইনফো সরকার প্রকল্প।
ক্যাটাগরি ৯ (ই-লার্নিং) সরকারের শিক্ষক বাতায়ন প্রকল্প। ক্যাটাগরি ১২ (ই-এনভায়রনমেন্ট)- ই-ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড রিসাইলেন্স থ্রো কমিউনিটি রেডিও অ্যাট কোস্টাল এরিয়া অব দ্য বে অব বেঙ্গল বাংলাদেশ। এটি বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশনের (বিএনএনআরসি) প্রকল্প।
ক্যাটাগরিতে ১৩ (ই-এগ্রিকালচার)- ডিও ডেটা টু কন্ট্রোল লেট ব্লাইট ফাংজাই ডিজিস ইন পটেটো ইন বাংলাদেশ। এটি এমপাওয়ার সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি উদ্যোগ।
কাটাগরি ১৫- আইটি ফর দ্য ডিফারেন্টলি অ্যাবল প্রজেক্ট, এটি ব্রিজ ফাউন্ডেশনের।
ক্যাটাগরি ১৬ (মিডিয়া বিভাগ) অ্যাওয়ারনেস অন ই রাইট টু ইনফরমেশন (ই-আরটিআই) থ্রো কমিউনিটি রেডিও। এটিও বিএনএনআরসির প্রকল্প।
ক্যাটাগরি ১৭- এটুআইয়ের মোবাইল বেইজড এজ ভেরিফিকেশন বিফোর ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন টু স্টপ চাইল্ড ম্যারিজ।
উইনার পুরস্কার পাওয়া ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার এবং ই-গভর্ন্যান্স ইন্টারঅপারেবিলিটি ফ্রেমওয়ার্ক’ প্রকল্পও চ্যাম্পিয়ন পুরস্কারের তালিকাতে আছে।
(jagonews24)

আইটিইউ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন মোস্তাফা জব্বার
ঢাকা: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জেনেভায় জাতিসংঘের তথ্য সমাজ শীর্ষ সম্মেলন (ডব্লিউএসআইএস) ২০১৯ এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন (আইটিইউ) অ্যাওয়ার্ড ‘সার্টিফিকেট অভ এক্সিলেন্স’-এ ভূষিত হয়েছেন।
জেনেভায় আইটিইউ মহাসচিব হাউলিন ঝাউ বুধবার (১১ এপ্রিল) ‘সার্টিফিকেট অব এক্সিলেন্স’ মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন বলে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এবারের সম্মেলনে ১৫০টি দেশের ১০০ জনেরও বেশি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীসহ তিন হাজারের বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন।


আইটিইউ, ইউনেস্কো, ইউএনডিপি এবং ইউএনসিটিএডি-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতিসংঘের এ রকম বড় কোনো সামিটে বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হওয়ার ঘটনা তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়াসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি আরও বৃদ্ধি করেছে বলে মনে করে মন্ত্রণালয়।
গত ৮ এপ্রিল শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এই ফোরামে বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের সভাসহ শতাধিক সেমিনার ও কর্মশালা হয়েছে। প্রতি বছর ডব্লিউএসআইএসের এই ফোরাম যৌথভাবে আয়োজন করে থাকে জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ), ইউনেস্কো, ইউএনডিপি ও ইউএনসিটিএডি।
২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের ঘোষণার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়।ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার এই কার্যক্রম ২০১৪ সালে আইটিইউ এর নজরে আসে এবং সেই বছর তারা দেশব্যাপী ইউনিয়ন পর্যায় ডিজিটাল সেন্টার বাস্তবায়ন প্রকল্পকে ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার প্রদান করে।
এছাড়া ২০১৫ সালে জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ২০১৬ সালে সেবা পদ্ধতি সহজিকরণ-এসপিএস, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনলাইন ছাড়পত্র, শিক্ষক বাতায়ন এবং কৃষকের জানালা এবং ২০১৭ সালে মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘টেলিমেডিসিন প্রকল্প’, ‘নাগরিক সেবা উদ্ভাবনে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার‘ এবং ‘ই-নথি’ ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি পুরস্কার অর্জন করে। এ বছরেও বাংলাদেশ একটি উইনার ও ৮টি চ্যাম্পিয়নশিপ পুরস্কার অর্জন করেছে।
সম্মেলনের বিভিন্ন ইভেন্টে মন্ত্রীর উপস্থাপনায় প্রথম তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করেও গত দশবছরে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির দেশ থেকে ডিজিটাল শিল্প বিপ্লব বা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রাজ্ঞাবান নেতৃত্বের সফলতার চিত্র উঠে আসে। এছাড়াও বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিতে অভাবনীয় রূপান্তরের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট উঠে আসে তার নানা উপস্থাপনায়, যা বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে বাংলাদেশের প্রতি তাদের ইতিবাচক ধারণাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
আইটিইউ মহাসচিব হাউলিন ঝাউ বাংলাদেশকে অনুসরণের জন্য অন্যদের পরামর্শ প্রদানের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। মন্ত্রীর সাথে সম্মেলনের সাইড লাইনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠককালে তিনি তার এই আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন। 
শুক্রবার ৫ দিনব্যাপী আইসিটি বিশ্বের এই ঐতিহাসিক মিলনমেলার সমাপনী পর্দা নামবে।

(banglanews24)

Holy Foods ads

Holy Foods ads

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget